মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলা এলাকায় জমি সংক্রান্ত জটিলতা ও নামজারি বাতিলের অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন এক ভুক্তভোগী ব্যক্তি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “আমি প্রায় ২০ বছর আগে খরিদ সূত্রে ৩৭ শতাংশ জমির মালিক হই এবং দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছি। পরবর্তীতে নামজারির জন্য ভূমি অফিসে আবেদন করি এবং তিনজনের নামে মিসকেস দায়ের করি। নিয়মিত হাজিরাও দিয়ে আসছিলাম।”
তিনি অভিযোগ করেন, প্রায় চার মাস আগে সার্ভেয়ার সজল গোপনে তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করেন। কিন্তু তাকে কোনো প্রকার অবগত না করেই তদন্ত সম্পন্ন করা হয় এবং পরবর্তীতে তার নামজারি আবেদন বাতিল করা হয়। অথচ যাঁর কাছ থেকে তিনি জমি ক্রয় করেছেন, তার নামজারি বহাল রাখা হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি ৩৭ শতাংশ জমিটি নিয়ে বিভিন্ন পায়তারা করে দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি ঝুলিয়ে রেখেছে। এতে তিনি চরম হয়রানি ও মানসিক কষ্টের শিকার হচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, “আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই। আমাকে না জানিয়ে তদন্ত করে নামজারি বাতিল করা সম্পূর্ণ অন্যায় হয়েছে।”
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বাংলাদেশ ভূমি অফিস সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।